বসনিয়া-হার্জেগোভিনা ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড় ফোলারিন বালোগান। স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার ওপর এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হয়েছিল। কিন্তু ফিফা বিশেষ আইনে তার লাল কার্ড স্থগিত করেছে। জানা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হস্তক্ষেপে ফিফা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ করার ব্যাপারটি এতক্ষণ পর্যন্ত গুঞ্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এবার নিজেই নিশ্চিত করলেন, বালোগানের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ফিফাকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলেন তিনি।
ট্রাম্প বলেছেন, বালোগানের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়ে ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’ নিয়েছে ফিফা। তার দাবি, এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে টুর্নামেন্টের ওপর ‘বড় কলঙ্ক’ পড়ত। বসনিয়ার বিপক্ষে প্রথম ও চলতি আসরে নিজের তৃতীয় গোল করে এই স্ট্রাইকার চলতি বিশ্বকাপে দেশের শীর্ষ গোলদাতা।
আগামীকাল সিয়াটলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচ খেলবে যুক্তরাষ্ট্র। লাল কার্ডের কারণে এই ম্যাচটি খেলার কথা ছিল না বালোগানের। কিন্তু ফিফা ২৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকারকে খেলার সুযোগ করে দিলো।
সোমবার হোয়াইট হাউজে ট্রাম্প এক বক্তব্যে জানান, সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে ফিফাকে অনুরোধ করেছিলেন তিনি। কারণ তার মনে হয় না, এটা ফাউল ছিল।
আমেরিকার রাষ্ট্রপ্রধান নিশ্চিত করলেন, তিনি ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে কথা বলেছিলেন। কিন্তু তিনি কেবল সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করতে বলেছিলেন। বালোগানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতেই হবে, এমন কোনো নির্দেশ দেননি।
ট্রাম্প বললেন, ‘আমি মনে করি দুই সেরা খেলোয়াড়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি লেগে তারা পড়ে গেছে। আমার মনে হয়, এটা (নিষেধাজ্ঞা) বড় একটা কলঙ্ক রেখে যেতো। কী করতে হবে আমি তো তাদের বলতে পারি না। আমি বিশ্বাস করি না যে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমার বিশ্বাস, এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কশিন। এবং এটা ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত।’
খুলনা গেজেট/এএজে

